কৌষীতকি ব্রাহ্মণে অষ্টমূর্তি শিব এবং সৃষ্টি বিজ্ঞান


 কৌষীতকি ব্রাহ্মণে অষ্টমূর্তি শিব এবং সৃষ্টি বিজ্ঞান

বৈদিক বাঙময়ে প্রারম্ভ থেকেই সৃষ্টি উৎপত্তি বিষয় নিয়ে চিন্তন-মনন করা হয়েছে। উপনিষদ এবং দর্শনে এর নিয়মতান্ত্রিক রূপ পাওয়া যায়। পুরাণে তো সৃষ্টি এবং প্রলয়কে তাদের বৈশিষ্ট্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। কৌষীতকী ব্রাহ্মণের মূখ্য বিষয়বস্তু তো যজ্ঞীয় কর্মকাণ্ডের ব্যাখ্যা করা। তবে প্রসঙ্গবশত, এর ষষ্ঠ অধ্যায়ে সৃষ্টির উৎপত্তি বিষয়তেও আলোচনা রয়েছে। এই প্রসঙ্গতেই অষ্টমূর্তি শিবের বর্ণনা পাওয়া যায়। কালিদাস "অভিজ্ঞান শাকুন্তলের" মঙ্গলাচারণে অষ্টমূর্তি শিবের স্তুতি করেছেন।।২।। বিষ্ণু পুরাণ (৩) এবং ভবিষ্য পুরাণে (৪) শিবের অষ্টমূর্তির বর্ণনা পাওয়া যায়। কৌষীতকী ব্রাহ্মণ স্বাধ্যায় করার সময়, আমি শিবের পৌরাণিক নামগুলোর উপর আলোচনা দেখতে পেয়ে মনে মনে খুবই কৌতুহলী হয়ে উঠলাম যে অষ্টমূর্তি শিবের যে বর্ণনা পুরাণে পাওয়া যায়, তার উৎপত্তিস্থল হলো বৈদিকশাস্ত্র। কোথাও কোথাও পুরাণের বিভিন্ন শৈলীর মাধ্যমে বৈদিকশাস্ত্রের ধারণাকে সহজ ও সরলভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে। যেমন মহর্ষি বেদব্যাস নিজেই বলেছেন -

"ইতিহাসপুরাণাভ্যাং বেদং সমুপবৃংহয়েৎ"।

কৌষিতকি ব্রাহ্মণ সৃষ্টির উৎপত্তি বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন যে, প্রজাদের কামনায় প্রজাপতি তপস্যা করলেন। তার তপের প্রভাবে তার থেকে পঞ্চতত্ত্ব উৎপন্ন হলো। অগ্নি, বায়ু, আদিত্য, চন্দ্রমা এবং ঊষা (৫)। প্রজাপতি তাদের বললেন যে তোমরাও তপস্যা করো। যখন তারা তপস্যা সম্পন্ন করল। তখন প্রজাপতির সন্তান ঊষা, অপ্সরার রূপ ধারণ করে তাদের সামনে উপস্থিত হলেন। অগ্নি, বায়ু, আদিত্য ও চন্দ্রমা তাতে বীর্য সিঞ্চন করলেন। তারা তাদের পিতা প্রজাপতির কাছে গিয়ে বললেন যে আমরা ঊষার মধ্যে বীর্য সিঞ্চন করেছি। প্রজাপতি হিরণ্ময় চামচ তৈরি করলেন যা ছিল তীরের মতা লম্বা ও পুরু। তিনি এই চামচে ইহার সিঞ্চন করলেন। তারপর তিনি সহস্রাক্ষ, সহস্রপাত এবং সহস্র ইন্দ্রিয় যুক্ত হয়ে জেগে উঠলেন।


এখানে, আমরা কৌষিতকি ব্রাহ্মণের কাছ থেকে ইঙ্গিত পাই যে প্রজাপতি প্রথমে সূক্ষ্ম উপাদানগুলি সৃষ্টি করেছিলেন। সূক্ষ্ম উপাদানগুলি সৃষ্টির পর, তাদের সম্পূর্ণরূপে বিকাশ লাভ করতে কিছু সময় লেগেছিল। এই সময়কাল তাদের তপস্যা। সূক্ষ্ম উপাদানগুলি তৈরি হওয়ার সাথে সাথে পঞ্চীকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। বরং, এর মধ্যে একটি সময়কাল রয়েছে। যখন সূক্ষ্ম উপাদানগুলি সম্পূর্ণরূপে বিকশিত হয়েছিল, তখন পঞ্চীকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল।

পঞ্চীকরণের প্রক্রিয়াটিও একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অব্যাহত ছিল। এই পঞ্চীকরণ প্রক্রিয়ার জন্য যে স্থান বা পরিস্থিতি প্রভৃতিকে নির্বাচিত করা হয়েছে তাহাই হিরণ্ময় চামচ। পঞ্চীকরণের প্রক্রিয়া সমাপ্ত হওয়ার পর, সহস্রাক্ষ, সহস্রপাতরূপ প্রজাপতি উৎপন্ন হয়। এই সহস্রাক্ষই হলো হিরণ্যগর্ভ প্রজাপতি। যার থেকে স্থূলভূতের নির্মাণ একটি ক্রমানুসারে হয়েছিল। এই উপাদানটিই সম্ভবত সৃষ্টির প্রথম উপাদান যার মধ্যে এই সমগ্র বিশ্ব সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সম্ভাবনা নিহিত থাকে। এটি বোঝার জন্য, আপনি প্রজনন প্রক্রিয়াটি বিবেচনা করতে পারেন। পুরুষ এবং মহিলার মিলন থেকে পিণ্ড (দেহ) গঠন পর্যন্ত প্রক্রিয়াটিকে পঞ্চীকরণ প্রক্রিয়ার একটি উপ-বৈশিষ্ট্য হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে। পিণ্ডে (দেহে), নির্মাণের সমস্ত সম্ভাবনা থাকাটাই হলো পিণ্ডের হিরণ্যগর্ভত্ব। এর পরে, সমস্ত অঙ্গ স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি প্রক্রিয়া অনুসারে গঠিত হয়। আখ্যান রূপে এটি বর্ণনা করে, কৌষীতকি ব্রাহ্মণ বলেছে যে, সেই সহস্রাক্ষ, সহস্রাপাৎ তার পিতা প্রজাপতির কাছে গিয়েছিলেন। প্রজাপতি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি আমার কাছে কেন এসেছ? তিনি বললেন, আমাকে নাম দাও। নাম ব্যতীত আমি এই নির্ধারিত অন্ন আহার করতে পারি না। তিনি বললেন, "তুমি ভব। যা ভব তাই জল (৬)" ব্রাহ্মণকার এখানে পঞ্চীকরণ প্রক্রিয়ার পরে প্রথম স্থূলভূতের উৎপত্তি হিসাবে জলের উৎপত্তির কথা উল্লেখ করেছেন। মনুস্মৃতিও জলের উৎপত্তিকে প্রথম স্থূলভূতের উৎপত্তি হিসাবে বর্ণনা করেছেন।

শতপথ এবং তৈত্তিরীয় ব্রাহ্মণেও "আপো বা ইদমগ্রে সলিলমাসীৎ" জলকে প্রথম সৃষ্টি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে জলের উৎপত্তিকে আমরা যে জল পান করি তা বোঝা উচিত নয়, বরং সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে ব্যাপ্ত জলীয় তত্ত্বকেই বোঝা উচিত।

তিনি দ্বিতীয়বার প্রজাপতির কাছে গেলেন। তিনি বললেন, "আমাকে অন্য নাম দিন। আমি কেবল একটি নাম দিয়ে এই খাবার খেতে পারি না।" প্রজাপতি উত্তর দিলেন, "তুমি একজন শর্ব, কারণ অগ্নি হলো শর্ব।। ৭।। এখানে, ব্রাহ্মণগ্রন্থ জল তত্ত্বের উৎপত্তির পরে অগ্নি তত্ত্বের উৎপত্তির কথা বর্ণনা করেছেন। এখানেও, অগ্নিকে কেবল একটি ভৌত উপাদান হিসাবে নয় বরং সমগ্র বিশ্বে ব্যাপ্ত অগ্নিতত্ত্বকে বোঝা উচিত।

তৃতীয়বার, তিনি প্রজাপতির কাছে গিয়ে তৃতীয়বার নামকরণের জন্য প্রার্থনা করেছিলেন। তৃতীয় নাম হিসেবে প্রজাপতি বলেছিলেন, "তুমি পশুপতি, কারণ পশুপতি হলো বায়ু (৮)" এখানে, ব্রাহ্মণগ্রন্থ তৃতীয় স্থূলভূত রূপে বায়ুর উৎপত্তিকে বর্ণনা করেছেন। এখানেও, বায়ু কেবল একটি ভৌতিক তত্ত্ব নয়, বরং সমগ্র বিশ্বে ব্যাপ্ত বায়ুতত্ত্বকে বোঝা উচিত।


পশুপতি শব্দটির ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পুরাণে বলা হয়েছে-
"ব্রহ্মাদ্যাঃ স্থাবরান্তাশ্চ পশব পরিকীর্তিতাঃ।
তেষাং পতিত্বাৎ বিশ্বেশো ভবঃ পশুপতিঃ স্মৃতঃ।।
সর্বদা যৎপশূন্ পাতি তেষু যদ্রমতে পুনঃ।
তেষামধিপতির্যচ্চ তস্মাৎ পশুপতি স্মৃতঃ।।"

ব্রাহ্মণশাস্ত্রের মধ্যে প্রযুক্ত "পশু" (প্রাণী) শব্দটি কেবল সাধারণ প্রচলিত অর্থে ব্যবহৃত হয় না, বরং বিশিষ্ট অর্থে প্রযুক্ত হয়। আমরা এখানে এই উদাহরণটি দেখতে পাই। অতএব, "পশু" শব্দটির ব্যাখ্যা আমাদেরকে বিস্তৃত সন্দর্ভে করতে হবে। তবেই অনেক জায়গায় ব্রাহ্মণ গ্রন্থের সঠিক ব্যাখ্যা সম্ভব হবে।

চতুর্থবার তিনি প্রজাপতির কাছে গিয়ে চতুর্থ নামকরণের জন্য প্রার্থনা করেন। চতুর্থ নাম হিসেবে প্রজাপতি বলেন, "তুমি উগ্র দেব," কারণ উগ্র দেব হলেন ঔষধী ও বনস্পতিসকল। "। (৯) এখানে, ব্রাহ্মণশাস্ত্র চতুর্থ স্থূল ভূতরূপে ঔষধি ও বনস্পতিকে বর্ণনা করতে করতে, ব্রহ্মাণ্ডের পার্থিব তত্ত্বকে বর্ণনা করেছেন। কারণ ঔষধী ও বনস্পতিসমূহের উৎপত্তির জন্য পার্থিব তত্ত্ব আবশ্যক।

তিনি পঞ্চমবারের মতো প্রজাপতির কাছে গিয়ে পঞ্চম নামটি চেয়েছিলেন। পঞ্চম নাম হিসেবে প্রজাপতি বলেছিলেন, "তুমিই মহাদেব," কারণ মহাদেব হলো আদিত্য।(১০) এখানে, ব্রাহ্মণশাস্ত্র পঞ্চম স্থূলভূত রূপে আদিত্য অর্থাৎ স্ব-প্রকাশযুক্ত লোকের নির্মাণের বর্ণনা দিয়েছেন। এখানে আদিত্য কেবল সূর্যের বাচক নয়।

ষষ্ঠবারের মতো, তিনি প্রজাপতির কাছে গিয়ে তাঁর কাছে ষষ্ঠ নামের জন্য প্রার্থনা করেছিলেন। প্রজাপতি বললেন, "তুমি রুদ্র," কারণ রুদ্র হলো চন্দ্রমা।"(১১) এখানে, ব্রাহ্মণগ্রন্থ ইঙ্গিত করে যে স্ব-প্রকাশযুক্ত লোকের উৎপত্তির পরে, চন্দ্র আদি অর্থাৎ স্ব-প্রকাশবিহীন লোকের উৎপত্তি হয়েছিল।

সপ্তমবার, তিনি পুনরায় প্রজাপতির কাছে গিয়ে তাঁর সপ্তম নামটির জন্য প্রার্থনা করলেন। সপ্তম নাম হিসেবে প্রজাপতি বললেন, "তুমি ঈশান, কারণ ঈশান হল অন্ন।"(১২) ব্রাহ্মণ অনুসারে, আদিত্য ও চন্দ্র লোকের উৎপত্তির পর, অন্ন অর্থাৎ এমন তত্ত্বের উৎপত্তি হয়েছিল যা এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ঊর্জার বা শক্তির স্রোত।

অষ্টমবার তিনি পুনরায় প্রজাপতির নিকট গেলেন এবং নামকরণের জন্য প্রার্থনা করলেন। অষ্টম নামকরণের সময়, প্রজাপতি বললেন তুমিই অশানি। কারণ অশানি হলো ইন্দ্র।(১৩) ইন্দ্র শব্দের অর্থ আত্মা। আত্মা, অর্থাৎ চেতনা শক্তি। এই আখ্যানের তাৎপর্য এই যে, প্রথমে জড় জগৎ সৃষ্টি হয়, তারপরে আত্মতত্ত্বের প্রকাশ ঘটে। কারণ আত্মাকে নিত্য তত্ত্ব মনে করা হয়। অতএব, আত্মার উৎপত্তি না ঘটে, প্রকাশ হয়েছে এরূপ বলা যেতে পারে।

ব্রাহ্মণকার সামনে আরও বলেছেন যে প্রজাপতি তপস্যা করেছিলেন। এই তপস্যার মাধ্যমে তিনি প্রাণ থেকে এই জগৎ, অপান থেকে অন্তরিক্ষ এবং ব্যান থেকে দ্যুলোকের নির্মাণ করেছিলেন।(১৪) এই জগৎ সৃষ্টির পর, প্রজাপতি পৃথিবী থেকে অগ্নি, অন্তরিক্ষ থেকে বায়ু এবং দ্যুলোক থেকে আদিত্যকে সৃষ্টি করেছিলেন।(১৫) পূর্বে অষ্টমূর্তির কথা বর্ণনা করার সময়, ব্রাহ্মণগ্রন্থ অগ্নি, বায়ু এবং আদিত্যের উৎপত্তিরও বর্ণনা করেছেন। পুনরায়, এখানে তার বর্ণনাকে ন্যায্যতা দেওয়া যায় না। অবশ্যই, ব্রাহ্মণগ্রন্থের উভয় স্থলে একই অভিপ্রায় থাকতে পারে না। এই তথ্য পূর্বে উল্লিখিত ধারণাটিকে পুষ্ট করে যে, অষ্টমূর্তির বর্ণন প্রসঙ্গে, অগ্নি, বায়ু এবং আদিত্য লৌকিক দেবতা নন বরং ব্রহ্মাণ্ডের বিশেষ শক্তি, যাদের এই সৃষ্টি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এখানে বর্ণিত এই অগ্নি, বায়ু এবং আদিত্য প্রকৃতপক্ষে লৌকিক দেবতাই। যাদের উৎপত্তি সৃষ্টি নির্মাণ প্রক্রিয়ার অনেক সময় পরে গিয়ে হয়েছে। 

সুতরাং, আমরা দেখতে পাই যে কৌষীতকী ব্রাহ্মণ সৃষ্টি-নির্মাণ প্রক্রিয়াকে সুন্দর আখ্যান দ্বারা সরল এবং সহজভাবে বর্ণনা করেছে। যার সৌন্দর্য এবং আকর্ষণীয় প্রকৃতির কারণে, এই আখ্যানটির স্বরূপকে পুরাণে অষ্টমূর্তি শিবের রূপেতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।।

  • ১. সহায়ক আচার্য, হিন্দু মহাবিদ্যালয়, দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়, দিল্লী
  • ২. প্রত্যক্ষাভিঃ প্রপন্নস্তনুভিরবতু বস্তাভিরষ্টাভিরীশঃ। অভিজ্ঞানশাকুন্তল শ্লোক - ১
  • ৩. সূর্যো জলং মহী বহ্ণির্বায়ুরাকাশমেব চ। দীক্ষিতো ব্রাহ্মণঃ সোম ইত্যেতাস্তনবঃ স্মৃতাঃ।।
  • ৪. শর্বো ভবস্তথা রূদ্র উগ্রো ভীমঃ পশোপতিঃ। ঈশানশ্চ মহাদেবো মূর্তয়াশ্চাষ্ট বিশ্রুতাঃ।।
  • ৫. প্রজাপতি প্রজাতিকামঃ তপোঽতপ্যত তস্মাৎ তপ্তাৎ পঞ্চ অজায়ন্ত অগ্নিঃ বায়ুঃ আদিত্যঃ চন্দ্রমাঃ উষাঃ পঞ্চমী।
  • ৬."সোঽভিধায় শরীরাৎ স্বাৎ সিসৃক্ষুর্বিবিধাঃ প্রজাঃ। অপ এব সসর্জাদৌ তাসু বীর্যমবাসৃজৎ।।"
  • ৭. স বৈ ত্বমিত্যব্রবীৎ শর্ব এবেতিয়দ্ শর্বোঽগ্নিঃ।
  • ৮. স বৈ ত্বমিত্যব্রবীৎ পশুপতিরেবেতি যদ্ পশুপতির্বায়ুঃ।
  • ৯. স বৈ ত্বমিত্যব্রবীৎ উগ্র এব দেব ইতি যদ্ উগ্রো দেব ঔষধয়ো বনস্পতয়ঃ।
  • ১০. স বৈ ত্বমিত্যব্রবীৎ মহানেব দেব ইতি যন্মহান্দেব আদিত্যঃ।
  • ১১. স বৈ ত্বমিত্যব্রবীদ্ রূদ্র এবেতি যদ্ রূদ্রঃ চন্দ্রমাঃ।
  • ১২. স বৈ ত্বমিত্যব্রবীৎ ঈশান এবেতি যদ্ ঈশানঃ অন্নম্।
  • ১৩. স বৈ ত্বমিত্যব্রবীৎ অশনিঃ এবেতি যদ্ অশনিঃ ইন্দ্রঃ।
  • ১৪. প্রজাপতিঃ তপোঽতপ্যত স তপস্তপ্ত্বা প্রাণাদেব ইমং লোকং প্রাবৃহদ্ অপানাদ্ অন্তরিক্ষলোকং ব্যানাদ্ অমুং লোকং স এতান্ ত্রীণ লোকান্ অভ্যতপ্যত।
  • ১৫. সোঽগ্নিমেব অস্মাদ্ লোকাদ্ অসৃজত বায়ুমৃ অন্তরিক্ষলোকাদৃ আদিত্যং দিবঃ স এতানি ত্রীণি জ্যোতীংষি অব্যতপ্যত।
🖋️লেখক - ড. জগমোহন (১)
অনুবাদক: বাঁধন চক্রবর্তী 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Please Select Embedded Mode To Show The Comment System.*

নবীনতর পূর্বতন